শিরোনাম :
কুলাউড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু সিলেট শাহজালাল মাজার পরিচালনা ও আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখতে ৩ পদে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি সিলেট নগরীর যানজট নিরসন ও হকার সমস্যা সমাধানে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন জিডিএফ ডিকেফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা সহায়ক উপকরণ বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের বিদায়ী সাক্ষাৎ সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোয়াইনঘাটে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কমিটি গঠন আহ্বায়ক কামরুল, সদস্য সচিব মাহমুদুল সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আন্দোলনের মুখে টানা ২৪ ঘন্টা ধরে অবরুদ্ধ অধ্যক্ষ- শিক্ষক দুস্কিতে সিসি ঢালাই রাস্তা উদ্ভোধন ও লাল সবুজ সমাজ কল্যাণ সংস্থার কার্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন যান্ত্রিক ত্রুটিতে বন্ধ কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিলেটে অসহনীয় লোডশেডিং

ওসমানীনগরের সেই প্রবাসী পরিবারের আরেকজনের মৃত্যু

রিপোর্টার নামঃ
  • বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

অনুসন্ধান নিউজ :: সিলেটের ওসমানীনগরে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া প্রবাসী রফিকুল ইসলামসহ পরিবারের ৩ সদস্য মারা যাওয়ার পর আড়াই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন তার স্ত্রী হুসনে আরা বেগম (৪৫)। বুধবার (১৯ অক্টোবর) ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এর আগে গত ২৫ জুলাই অচেতন অবস্থায় ৫ প্রবাসীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ব্রিটিশ নাগরিক রফিকুল ইসলাম ও তার ছোট ছেলে মাইকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন ওসমানী মেডিকেল হাসাতালের দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক। স্ত্রী হুসনে আরা বেগম, বড় ছেলে সাদিককুল ইসলাম ও একমাত্র মেয়ে সামিরা ইসলামকে হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার ১১ দিন পর হাসপাতালের আইসিইউতে সামিরা ইসলাম মারা যায়। প্রায় ৩ মাস পর সামিরার মা হুসনে আরা বেগমও চলে গেলেন না ফিরার দেশে। হুসনে আরা বেগমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভাই গোলাম মোস্তফা এবং ওসমানীনগর থানার ওসি এস এম মাইন উদ্দিন।

ঘটনার পর পুলিশের ধারনা, ঘটনার রাতে দীর্ঘসময় জেনারেটর চালু থাকায় শ্বাস প্রশ্বাস নিতে না পেরে দমবন্ধ হয়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও তার ছেলে মাইকুল ইসলাম মারা যান। অচেতন হয়ে পড়েন স্ত্রী ও অপর এক ছেলে সাদিকুল ইসলাম ও একমাত্র মেয়ে সামিরা ইসলাম। জেনারেটরের ধোঁয়ায় কী ধরণের বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হতে পারে তা নিশ্চিতে ফায়ার সার্ভিসের কাছে আলামত এছাড়া ওই রাতে গ্রহণ করা খাবারের রাসায়নিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়।

৩ আগস্ট হুসনে আরা ও সাদিকুল ইসলামের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হলেও মা-ছেলে পুনরায় তাজপুরের ভাড়া বাসায় উঠেন। পরে হুসনে আরা বেগমের পুনরায় অসুস্থ হলে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain