শিরোনাম :
পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে সিলেটকে আকর্ষণীয় পর্যটন হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব: কয়েস লোদী ভারতে অনুপ্রবেশকালে সুনামগঞ্জে নির্বাচন অফিসের কর্মচারী আটক জাকির হোসেন মজুমদারের মাগফিরাত কামনায় সিলেট মহানগর বিএনপির দোয়া মাহফিল জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক ও গণবিরোধী: বাসদ ৬ মাসে ৩ বার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সরকারের গণবিরোধী সিদ্ধান্ত-মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম গোয়াইনঘাটে পরিত্যক্ত মর্টার শেল, সেনাবাহিনীর হাতে ধ্বংস সিলেট জেলা ও মহানগর যুবদলের নতুন কমিটিতে দায়িত্বে পেল কারা অপ্রতিম হত্যায় ৪ জন গ্রেফতার, অপরাধ স্বীকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‎​সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের যুক্তরাজ্য শাখার সহ- সভাপতি ডা. সৈয়দ মাশুক আহমেদকে সংবর্ধনা সিলেটে ২ দিনে ছাত্রলীগের ৯ নেতাকর্মী আটক

ট্রিপল মার্ডার: রায়নগরের সেই বাসায় বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রকৃত খুনিদের চিহ্নিতের নির্দেশ

রিপোর্টার নামঃ
  • শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

অনুসন্ধান ডেস্ক ::: সিলেট নগরের রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকায় টিপল মার্ডার হওয়া সেই বাসায় গিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী এবং সিলেট-১ আসনের সাংসদ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। শনিবার দুপুরে তিনি ওই বাসায় গিয়ে খুন হয়া দম্পতি আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগমের সন্তানদের সান্তনা দেন। এসময় তিনি এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করার তাগিদ দেন।

রায়নগরের ওই বাসা থেকে বেরিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের বলেন, কোনো ঘটনার প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার করা ন্যায়বিচারের একটি অংশ। একই সঙ্গে অপরাধীদের যথাযথভাবে শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হলে তা ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ ঠেকাতে দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘সিলেটের নিরাপত্তার স্বার্থে, দেশের মানুষের নিরাপত্তাবোধ যেন আশ্বস্ত থাকে, সে জন্য প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করা ও গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন।’

নিহত পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় মন্ত্রী তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার বিষয়ে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন বিষয় শোনেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীসহ বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মী।

উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সকালে রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে আব্দুস সাত্তার (৯০), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) এবং গৃহকর্মী তাহমিনা বেগমের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত দম্পতির মেয়ে সেলিনা সুলতানা বাদী হয়ে মামলা করেন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাবুল মিয়া (৪০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে সম্পর্ক কিংবা কথাকাটাকাটির জেরে বাবুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনজনকে হত্যা করেছেন।

তবে পুলিশের এ বক্তব্য নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে নিহতদের পরিবার। তাদের দাবি, আব্দুস সাত্তারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে বাবুলের কোনো সম্পর্ক ছিল বলেও তারা বিশ্বাস করেন না।

নিহতদের মেয়ে সেলিনা সুলতানার দায়ের করা মামলায়ও বাবুল মিয়ার নাম আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। তাঁর দাবি, একজনের পক্ষে একসঙ্গে তিনজনকে হত্যা করা সম্ভব নয়। এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারেন। গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, কেসটাকে অন্যদিকে ঘোরানোর জন্য কাজের মেয়ের বিষয়টি বলা হচ্ছে। তাছাড়া গৃহকর্মী তাহমিনার পিতাও দাবি করেছেন তার মেয়ের সাথে বাবুলের কোন সম্পর্ক ছিলোনা।

স্থানীয় বাসিন্দারাও গৃহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের প্রকৃত কারণ এবং এতে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা বের করতে গভীর ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। ফলে এসব অভিযোগ ও সন্দেহকে সামনে রেখে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain