শিরোনাম :
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সিলেট মহানগর বিএনপির কর্মসূচিতে খন্দকার মুক্তাদির আট বছর পর ওসমানীতে নামল বিদেশি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সপ্তাহ শুরু সিলেট মহানগর বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগরীর ৩৪নং ওয়ার্ডের দাওয়াতি মাহফিল অনুষ্ঠিত মবের অপসংস্কৃতি রোধে সরকার সজাগ রয়েছে: সিলেটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন সংসারের স্বপ্ন থামল বিদ্যুৎস্পৃষ্টে, ছেলের মৃত্যুর পর বাবাও চলে গেলেন সিলেট আদালতে হাসিখুশি আওয়ামী লীগ নেতা পল্লব, কারাগারে প্রেরণ সিএনজি শ্রমিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে ও হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মদিনা মার্কেট মানববন্ধন সিলেটে চা শ্রমিকদের ৫০০টাকা মজুরিসহ ৪ দাবিতে কর্মবিরতি-বিক্ষোভ মিছিল

খালেদা জিয়ার শেষ বিদায় জনসমুদ্রে

রিপোর্টার নামঃ
  • বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪০১ বার পড়া হয়েছে

অনুসন্ধান ডেস্ক ::: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ভোর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জড়ো হতে থাকেন সর্বস্তরের মানুষ। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বিকেল ৩টার পর অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজার নামাজ পড়ান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।

এর আগে, বুধবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়ার মরদেহ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হয়। তাকে বহন করা হয়েছে লাল-সবুজ রঙের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি ফ্রিজার ভ্যানে। সেনাবাহিনী হিউম্যান চেইন তৈরি করে রাষ্ট্রীয় প্রোটকলে তার মরদেহ সেখানে আনা হয়।

সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতাল থেকে বের করে গুলশানে নেওয়া হয়। শুরুতে তার দীর্ঘদিনের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় নেওয়ার কথা থাকলেও পরে গাড়িটি তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর খালেদা জিয়ার স্বজন এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা শেষবারের মতো তাকে শ্রদ্ধা জানান। বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে ছেলে তারেক রহমানের বাসা থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী ফ্রিজার ভ্যানটি যাত্রা শুরু করে।

গাড়িবহরে লাল-সবুজ রঙের বাসও ছিল। তারেক রহমান, তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা জানাজাস্থলে আসেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার স্বজনরাও গাড়িবহরে ছিলেন।

বেগম জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূতরা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের আশপাশ, বিজয় সরণি, খামার বাড়ি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, শাহবাগ, মোহাম্মদপুর পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। যে যেখানে পারেন সেখানেই দাঁড়িয়ে জানাজায় যোগ দিয়েছেন।

জানাজার আগে বেগম জিয়ার দীর্ঘ জীবন নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

পরে পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে কথা বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আপনারা আমার মরহুমা মায়ের জন্য দোয়া করবেন। করো কাছে আম্মার কোনো ঋণ থাকলে আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। আমি পরিশোধ করব। কেউ আমার মায়ের আচরণে বা কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে তার পক্ষ থেকে ক্ষমাপ্রার্থী। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain