অনুসন্ধান ডেস্ক ::: শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর বলেছেন, জ্বালানির কারণে শিল্পের উৎপাদন কমার সুযোগ নাই। গ্যাসের দ্বারা পরিচালিত শিল্পে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করেই অন্য হিসাব করা হয়৷ সেভাবেই জ্বালানি মন্ত্রণালয় গ্যাস সরবরাহকে নিশ্চিত রেখেছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন জায়গায় কনজাম্পশন কমায় রপ্তানি কমেছে। আর তৈরি পোশাকের রপ্তানি শুধু যে বাংলাদেশ থেকে কমেছে ব্যাপারটা তা নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী সবগুলো রাষ্ট্রে কমেছে। এটি একটি বৈশ্বিক বাস্তবতা, বাংলাদেশের জন্য আলাদা কিছু নয়।
শুক্রবার বিকেলে সিলেটে ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
জাপানের সাথে সাম্প্রতিক বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাপানের সাথে যৌথ অর্থনৈতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সংসদে পাশ হলে সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে সচল হবে।
আগামী দিনে জাপানি বিনিয়োগ বেশি বেশি আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অনেকগুলো দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে এলডিসি উত্তরণের পরেও বিভিন্ন দেশে দেশীয় পণ্যের প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পাব।
এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, উৎসে দাম বেড়ে থাকলে এখানেও সেটার প্রতিফলন হবে। অন্যান্য দেশে যুদ্ধ লাগার সাথে সাথেই মূল্যের সমন্বয় হয়েছে৷ খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও মূল্য গ্যালনে ৪ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
তিনি বলেন, দরিদ্র রাষ্ট্র হলেও মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর যাতে মূল্যের অভিঘাত না পড়ে সেজন্য সরকার মূল্য ধরে রেখেছে।
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে বলেন, আতঙ্ক একটা সংক্রামক রোগ৷ আতঙ্কিত আচরণ আরেকজনকে আতঙ্কিত করতে প্ররোচিত করে৷ আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নাই। উৎসে মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, সরবরাহ পরিস্থিতির মধ্যে অস্বাভাবিকতা রয়েছে, তাই ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
সন্ধ্যা ৬টার পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ প্রসঙ্গে বলেন, পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারলে বাড়তি খরচ থেকে রক্ষা মিলবে। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার৷