শিরোনাম :
সিলেটের নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকের সাথে ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় জেলা প্রসাশকের সাথে সিলেট জেলা ও মহানগর হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ এনসিপিকে হবিগঞ্জে ঢুকতে দেয়নি পুলিশ, কামাইছড়া তদন্ত কেন্দ্রে নিল মামলার আবেদন ৮নং ওয়ার্ডস্থ জালালিয়া এলকায় সুন্দর সমাজ গঠনের লক্ষ্যে মাদক ও ছিনতাই বিরোধী উঠান বৈঠক সম্পন্ন বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি সামাজিক ও মানবিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে: রেজাউল হাসান কয়েস লোদী নাইজেরিয়ার গ্রামে সশস্ত্র হামলায় নিহত ৩০ ৩২ যুগ্ম সচিব বাধ্যতামূলক অবসরে সিলেটে ফুটবল ম্যাচ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত সিলেটে বিদায়ী পুলিশ কমিশনারকে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলা শাখার সংবর্ধনা ব্যবসায়ী নেতা দিলওয়ার হোসেনকে দেখতে গেলেন জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান

সিলেটে কলেজ ছাত্র হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

রিপোর্টার নামঃ
  • শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০১৬ সালের ২৬ নভেম্বর সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন কলেজ ছাত্র মিসবাহ উদ্দিন তাহা (২১)। এ ঘটনায় নিহতের মা নাজমা বেগম কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ৫ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) তাহা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহরিয়ার কবির।

এসময় আদালত তাহা হত্যাতান্ডের মূল আসামি কবির আহমদকে যাবজ্জীবন ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও দুমাসের কারাদন্ড প্রদান করেন আদালত। দন্ডপ্রাপ্ত আসামি কবীর বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এছাড়া হত্যা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রুমেল ও রানা নামের আরও দুই আসামীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। তবে আদালতের এই রায়ে সন্তুষ্ট নন তাহার পরিবার।
এদিকে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন তারা এমনটি জানিয়েছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী আলাউদ্দিন। তিনি বলেন, তাহা হত্যা মামলার রায়ে আমরা যথাযথ বিচার পাইনি। এজন্য আমরা পরবর্তি আইনী লড়াই চালিয়ে যাবো।

সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট সারোয়ার আবদাল জানান, কলেজ ছাত্র তাহা হত্যা মামলায় আদালত কবীর নামের এক আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন। এছাড়া এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত আরও দুই আসামীকে খালাস দিয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা জার্মানী প্রবাসী রহমত উল্লাহর একমাত্র ছেলে মিসবাহ উদ্দিন মিসবাহ তার মা ও দুই বোনের সঙ্গে সিলেট নগরীর মজুমদারী কোনাপাড়া এলাকার একটি বাসায় বসবাস করতেন। তিনি সিলেট কমার্স কলেজ থেকে ২০১৫ সালে এইচএসসি পাস করে সে বছর পাবলিক ভার্সিটিতে চান্স না পাওয়ায় দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মিসবাহ।
হত্যা মামলায় ওই বছর ৮ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থেকে মূল আসামি কবির আহমদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন ৯ ডিসেম্বর বন্দরবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয় কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া আরও দুই যুবক রুমেল ও রানাকে। তিনজনই দক্ষিণ সুরমার বাসিন্দা। ২০১৭ সালর ২০ এপ্রিল ঘাতক কবির, রুমেল ও রানার নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার তৎকালীন এসআই মো. ফয়েজ উদ্দিন ফায়াজ। ঘটনায় জড়িত রাব্বির নাম ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় তার নাম মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain