শিরোনাম :
সিলেট বিভাগে সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত থাকবে ভারী বৃষ্টি এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান কামনায় বিশ্বনাথে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট জগতের ঐতিহাসিক আয়োজন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনার্স কনফারেন্স সম্পন্ন মদিনা মার্কেটের ঘটনা: তদন্তে নির্দোষ সজিব, রাব্বানী ও রাসেল-অপরাধে সম্পৃক্ততায় গিয়াস ও রিপনকে বহিষ্কার সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাবের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত মানুষের সেবা করেই মন জয় করতে চাই: এমপি সৈয়দ মো. ফয়সল কাদার ফাঁদে জাফলং সংযোগপথ, শিক্ষা ও জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সিলেট জেলা ও মহানগর ১১ দলীয় ঐক্যের র‌্যালী সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিলেটের অসমাপ্ত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন সম্ভব: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সাত বছর পর ইতালি থেকে ফিরছিলেন দেশে, মাঝপথেই প্রাণ গেলো বড়লেখার ফখরুলের

আজ সমাধান হবেই, বিশ্বাস চা শ্রমিকদের

রিপোর্টার নামঃ
  • শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২২
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

অনুসন্ধান নিউজ :: আজ শনিবার চা শ্রমিকদের আন্দোলনের ১৯তম দিন। দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকা করার দাবিতে এখনও অনড় হবিগঞ্জের ২৪টি চা বাগানের শ্রমিকরা। তবে বিকেলে প্রধানমন্ত্রী যহেতু বাগান মালিকদের নিয়ে বসবেন তাই ওই বৈঠকেই বিষয়টির সমাধান হবে বলে আশা করছেন তারা।

চা শ্রমিকরা জানান, এখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে ১২০ টাকায় কিছুই হয় না। শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে ৪০ টাকা ভাড়া চলে যায়। বাকি ৮০ টাকায় খাবার হয় না। এখন যেহেতু প্রধানমন্ত্রী মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে বসছেন তাই সমাধান হয়ে যাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। আজ সমাধান হবেই এমন বিশ্বাস রয়েছে তাদের।

দাড়াগাঁও বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি প্রেমলাল আহির বলেন, আজ যেহেতু প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন, আশা করছি আমাদের দাবির বিষয়টি সমাধান হবে। এটি নিয়ে যেন বাড়াবাড়ি না হয়। আমরা আশা করি আজ আন্দোলন শেষ হবে। দাবিও পূরণ হবে।

জানা গেছে, দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার দাবিতে গত ৯ আগস্ট থেকে ৪ দিন ২ ঘণ্টা করে কর্মবিরতি করেন চা শ্রমিকরা। এরপর তারা ১৩ আগস্ট থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করেন। এর মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হলেও তা সমাধান হয়নি। এরইমধ্যে তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। শেষ পর্যন্ত গত শনিবারের বৈঠকে তাদের মজুরি ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হলে নেতারা আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।

পরবর্তীতে শ্রমিকরা এ মজুরি মানেন না জানিয়ে ফের আন্দোলনে নামেন। কয়েক দফা বৈঠকের পর সোমবার তাদের একাংশ কাজে যোগ দিলেও মঙ্গলবার ফের তারা আন্দোলন শুরু করেন। এদিকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী আজ শনিবার বিকেলে বাগান মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন।

এদিকে চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন তাদের সন্তানরাও।

চা শ্রমিকের মেয়ে মুন্নি আহির বলে, ১২০ টাকা মজুরিতে আমরা পড়ালেখা করতে পারি না। পরীক্ষা দিতে পারি না। তাই আমরা আন্দোলনে এসে যোগ দিয়েছি।

লাভলী গোয়ালা বলেন, আমরা আমাদের মায়ের মজুরি বৃদ্ধির জন্য তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যুক্ত হয়েছি। যে মজুরি দেওয়া হয় তাতে আমরা বই, খাতা, কলম কিনতে পারি না। পরীক্ষার ফি দিতে পারি না। আমাদের যাতায়াত খরচ দৈনিক ৪০ টাকা খরচ হয়। ৮০ টাকায় আমাদের দুই কেজি চালও হয় না।

চা শ্রমিক স্বর্ণা সাও বলেন, যেহেতু প্রধানমন্ত্রী আজ (শনিবার) বৈঠকে বসছেন তাই আমরা আশা করি এটির সমাধান হবে। তিনি একটি সমাধান দেবেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain