শিরোনাম :
নিয়ম মেনে ভবন নির্মাণ নিশ্চিতকরণে পরিদর্শনে নেমেছে সিউক-সতর্ক মালিকদের কানাইঘাট ট্রাক, পিকআপ ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির অনুমোদন ওসমানীনগরে পুজা মন্ডপে পররাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ূন কবিরের উপহার বিতরন হবিগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৯ সিলেটে চৈতালী সংঘের উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন মুয়াজ্জিন কল্যাণ সমিতি সিলেটের তাফসিরুল কুরআন মহাসম্মেলন সম্পন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জালালাবাদ থানাধীন সকল পুজামন্ডপের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিমিয় সভা অনুষ্ঠিত গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড: সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় জালালাবাদ ইউনিয়নের আলিনগর- পালপুর মাদ্রাসা মাঠে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জৈনুদ্দিনের মতবিনিম্ন সভা সিলেট-তামাবিল সড়ক: পৃথক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ নিহত ৩

আজ সমাধান হবেই, বিশ্বাস চা শ্রমিকদের

রিপোর্টার নামঃ
  • শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২২
  • ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

অনুসন্ধান নিউজ :: আজ শনিবার চা শ্রমিকদের আন্দোলনের ১৯তম দিন। দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকা করার দাবিতে এখনও অনড় হবিগঞ্জের ২৪টি চা বাগানের শ্রমিকরা। তবে বিকেলে প্রধানমন্ত্রী যহেতু বাগান মালিকদের নিয়ে বসবেন তাই ওই বৈঠকেই বিষয়টির সমাধান হবে বলে আশা করছেন তারা।

চা শ্রমিকরা জানান, এখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে ১২০ টাকায় কিছুই হয় না। শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে ৪০ টাকা ভাড়া চলে যায়। বাকি ৮০ টাকায় খাবার হয় না। এখন যেহেতু প্রধানমন্ত্রী মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে বসছেন তাই সমাধান হয়ে যাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। আজ সমাধান হবেই এমন বিশ্বাস রয়েছে তাদের।

দাড়াগাঁও বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি প্রেমলাল আহির বলেন, আজ যেহেতু প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করবেন, আশা করছি আমাদের দাবির বিষয়টি সমাধান হবে। এটি নিয়ে যেন বাড়াবাড়ি না হয়। আমরা আশা করি আজ আন্দোলন শেষ হবে। দাবিও পূরণ হবে।

জানা গেছে, দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার দাবিতে গত ৯ আগস্ট থেকে ৪ দিন ২ ঘণ্টা করে কর্মবিরতি করেন চা শ্রমিকরা। এরপর তারা ১৩ আগস্ট থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করেন। এর মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হলেও তা সমাধান হয়নি। এরইমধ্যে তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। শেষ পর্যন্ত গত শনিবারের বৈঠকে তাদের মজুরি ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হলে নেতারা আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।

পরবর্তীতে শ্রমিকরা এ মজুরি মানেন না জানিয়ে ফের আন্দোলনে নামেন। কয়েক দফা বৈঠকের পর সোমবার তাদের একাংশ কাজে যোগ দিলেও মঙ্গলবার ফের তারা আন্দোলন শুরু করেন। এদিকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী আজ শনিবার বিকেলে বাগান মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন।

এদিকে চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন তাদের সন্তানরাও।

চা শ্রমিকের মেয়ে মুন্নি আহির বলে, ১২০ টাকা মজুরিতে আমরা পড়ালেখা করতে পারি না। পরীক্ষা দিতে পারি না। তাই আমরা আন্দোলনে এসে যোগ দিয়েছি।

লাভলী গোয়ালা বলেন, আমরা আমাদের মায়ের মজুরি বৃদ্ধির জন্য তাদের সঙ্গে আন্দোলনে যুক্ত হয়েছি। যে মজুরি দেওয়া হয় তাতে আমরা বই, খাতা, কলম কিনতে পারি না। পরীক্ষার ফি দিতে পারি না। আমাদের যাতায়াত খরচ দৈনিক ৪০ টাকা খরচ হয়। ৮০ টাকায় আমাদের দুই কেজি চালও হয় না।

চা শ্রমিক স্বর্ণা সাও বলেন, যেহেতু প্রধানমন্ত্রী আজ (শনিবার) বৈঠকে বসছেন তাই আমরা আশা করি এটির সমাধান হবে। তিনি একটি সমাধান দেবেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain