অনুসন্ধান ডেস্ক ::: জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে সিলেট জেলা প্রশাসন ও জেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে সিলেটে বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারী) সকাল ১০টায় র্যালীটি নগরীর ক্বিনব্রিজ থেকে শুরু করে সিলেট সরকারী অগ্রগ্রামী স্কুলে এসে শেষ হয়।
র্যালীতে উপস্থিত ছিলেন-সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, জেলা শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ মো. আব্দুল ওয়াদুদ, সিলেট সরকারী অগ্রগামী স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক হেপি বেগম।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের বিচারকের দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন-শ্রেষ্ঠ স্কাউট, শ্রেষ্ঠ রোভার ও শ্রেষ্ঠ রেঞ্জার (শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দলগত পর্যায়ে বিচারকরা হলেন- বাংলাদেশ স্কাউট সিলেট জেলা উপপরিচালক তাপস কান্তি গুলদার, সিলেট জেলা রোভারের সম্পাদক মো: মবশীর আলী, সিলেট জেলা রোভারের সম্পাদক ছয়ফুল আমীন, বাংলাদেশ স্কাউট সিলেট জেলা সম্পাদক মাহফুজ আহমদ চৌধুরী বাংলাদেশ স্কাউট সিলেট মেট্রো জেলার সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম।
শ্রেষ্ঠ গার্ল গাইড, শ্রেষ্ঠ বিএনসিসি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দলগত পর্যায়ের বিচারকরা হলেন-মদন মোহন কলেজ প্লাটুনের কম্পানি কমান্ডার ও বিভাগীয় প্রধান লে. মো: মনিরুল ইসলাম, লতিফা-শফি চৌধুরী ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাহবুবা খানম চৌধুরী, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বি.এন.সি.সি, টিইও প্লাটুন কমান্ডার শওকত হোসেন।
শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধানরা হলেন-অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, নুরজাহান মেমোরিয়াল মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা), বৃহত্তর ঘাসিটুলা আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।
শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী, শ্রেষ্ঠ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসাররা হলেন-সিলেট জেলা শিক্ষা অফিসার, পি.টি.আই সুপার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (শিক্ষা ও আইসিটি), বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ, শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
ক্বেরাতের দায়িত্বশীলা হলেন-সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো: নুরুল ইসলাম, শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ক্বারী আলী হায়দার, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সহকারী শিক্ষক আব্দুল জব্বার।
হামদ/নাত দায়িত্বশীলরা হলেন-লতিফা শফি চৌধুরী মহিলা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মো: রুম্মান উদ্দিন, জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক এমদাদুল হক জুবায়ের, শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক ক্বারী আবুল হাসনাত বেলাল।
বাংলা রচনা প্রতিযোগিতা অনির্ধারিত ও উপস্থিত বক্তৃতা এককরা হলেন-মুরারিচাঁদ কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো: বেলাল উদ্দিন, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক এমদাদুল ইসলাম, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক সালমা মনির।
ইংরেজি রচনা প্রতিযোগিতা (অনির্ধারিত) ও ইংরেজি বক্তব্য প্রতিযোগিতারা হলেন-সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক আবু মুছা তারেক, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক সাগরিকা গুপ্তা, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আবু নছর মোহাম্মদ সুফিয়ান।
বাংলা কবিতা আবৃত্তিরা হলেন-মইনউদ্দীন আদর্শ মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আজির উদ্দিন, জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক ফরিদা ইয়াসমিন, সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক বিপ্লব নন্দী।
দেশাত্মবোধক গান ও লোক সংগীত পরিবেশন করেন যারা-সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ব্যবস্থাপক শামীম আহমদ, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা সাইদুর রহমান ভূঞা।
রবীন্দ্র সংগীত ও উচ্চাঙ্গ সংগীত পরিবেশন করেন যারা-বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী অনিমেষ বিজয় চৌধুরী, জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক প্রতীক এন্দ, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী পুর্নিমা দত্ত রায়, জেলা শিল্পকলা একাডেমির তবলা সঙ্গতকারী কৃতি সুন্দর দাস।
নজরুল সংগীত ও জারীগান পরিবেশন করেন যারা-বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী বিজন রায়, শংকর ধর, ব্লু-বার্ড হাই স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক, নাসরিন আক্তার চৌধুরী, জেলা শিল্পকলা একাডেমির তবলা সঙ্গতকারী মিলন দেবনাথ।
নির্ধারিত বক্তৃতা বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। বাংলাদেশ উন্নয়ন ভাবনা/শিক্ষা হলেন যারা-
মুরারিচাঁদ কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এসএম আনোয়ারুজ্জামান, সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক মাহমুদা খানম, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সহকারী শিক্ষক ইশতিয়াক হোসেন মুন্সি।
নৃত্য (উচ্চাঙ্গ) ও লোকনৃত্য করে যারা-শিশু একাডেমীর প্রশিক্ষক নীলাঞ্জনা জুই, বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী শ্যামল ঘোষ, নৃত্য পরিচালক শান্তনা দেবী।
তাৎক্ষনিক অভিনয় করেন যারা-জেলা কালাচারাল অফিসার জ্যোতি সিনহা, বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব মঞ্জুর আহমদ, সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সহকারী শিক্ষক পূর্ণিমা রানী দাশ তালুকদার।
দেয়াল লিখনের বিচারকরা হলেন-জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াছমিন স্বর্ণা, সিলেট সরকারী অগ্রগামী স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো: আলী আজমান, সিলেট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহাকারী শিক্ষক আল মাসুদ।