শিরোনাম :
সিলেটে জিএসসি ইউকে’র ‘ওমেন এমপাওয়ার প্রজেক্ট’-এর সনদ বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শাহ্ খুররম ডিগ্রী কলেজে ভবন বরাদ্দ- মুক্তাদিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও দোয়া মাহফিল এবার ইউনিয়ন পরিষদ এর নির্বাচন কবে-জানা গেল মির্জা ফখরুল হোটেল শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কর্মীসভা অনুষ্ঠিত সিলেটে হামে শিশু মৃত্যু থামছেই না, প্রাণ গেল আরও দু’জনের সিলেট মহানগরের ৬ থানা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সিসিক প্রশাসকের মতবিনিময় ইসকনের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক: সিলেটে শতাব্দীর পর শতাব্দী হিন্দু-মুসলিম সহাবস্থান সিলেটের ভাঙাচোরা সড়ক নিয়ে সিসিক প্রশাসকের ক্ষোভ, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান নতুন এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ, কুদ্দুস চট্টগ্রামে বদলি আগামী বছরের হজ: সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা

সিলেটে ২২ বছর পর হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার নামঃ
  • সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০২৩
  • ১৫১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: সিলেটের গোইয়ানঘাটে তমজিদ আলী হত্যা মামলায় দীর্ঘ ২২ বছর পর ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- গোয়াইনঘাট উপজেলার ইটাচকি গ্রামের আব্দুর রব, একই গ্রামের ইদ্রিছ আলীর ছেলে আব্দুর রহমান, পার্শ্ববর্তী ইস্তি গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে রইছ আলী ও নুর মিয়ার ছেলে ফজল উদ্দিন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. ফখরুল ইসলাম জানান, এ মামলয় বাকি ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির সকলেই জামিনে ছিলেন। তবে আজ তারা আদালতে হাজিরা দিতে এলে রায় শোনানোর পর কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া এ মামলায় মোট ১৫ আসামির ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয় এবং সাজিদুর হক নামের এক আসামি বিচার চলাকালে মৃত্যুবরণ করেন।

মামলার বরাত দিয়ে আদালত সূত্র জানায়, ২০০১ সালের ৮ আগস্ট সকাল সাড়ে ৬টায় সিলেটের গোয়াইনঘাটে ইস্তি গ্রামে খাল দখলকে কেন্দ্র করে হাত-পা বেঁধে দা দিয়ে কুপিয়ে জেলে তমজিদ আলীকে হত্যার পর মরদেহ হাওরে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পরদিন নিহতের স্ত্রী পেয়ারা বেগম ১৫ জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা (নং-৬ (৮)০০১) দায়ের করেন। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০০২ সালের ২ মার্চ চার্জশিট দাখিল করেন। ২০০৩ সালের ৫ নভেম্বর সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন সদর সার্কেল এএসপি সিদ্দিকী তানজিলুর রহমান।

মামলাটি জিআর ৭৭/২০০১ মূলে আদালতে রেকর্ড করা হয়। ২০০৪ সালে এ আদালতে দায়রা ৩/২০০৪ মূলে রেকর্ড করে বিচার শুরু হয়। মামলায় দীর্ঘ শুনানিতে ২২ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক আজ এ হত্যা মামলায চারজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একইসঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়। সেসঙ্গে অন্য সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain