শিরোনাম :
পাহাড়ি ঢলে বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকছে সুনামগঞ্জের এরনবিল হাওরে সিলেট কদমতলী বাস টার্মিনালে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ-ভাঙচুর, আহত ৪ রেকর্ডীয় জমি বালুমহালে অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে গোয়াইনঘাটে মানববন্ধন কমলগঞ্জে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড বিদ্যুৎব্যবস্থা: ১৭ খুঁটি ও অর্ধশতাধিক ঘর ক্ষতিগ্রস্ত সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য জিয়াউর রহমান জামালপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, গাছচাপায় মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু উলশী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেটে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের যুগ্ম-আহ্বায়ক বিদ্যুৎ রঞ্জন দাস সুরমা নদীতে হবে স্লুইস গেট আর দুই তীরে ওয়াকওয়ে, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফরের পূর্ণাঙ্গ সূচী প্রকাশ, কী কী কর্মসূচী?

বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি, কমছে নগরের পানিও

রিপোর্টার নামঃ
  • রবিবার, ২ জুন, ২০২৪
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সিলেটের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত রয়েছে। তবে শনিবার নগরের পানি বৃদ্ধি পেলেও রোববার থেকে নগরের পানিও কমতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে সিলেট নগরে সুরমা নদীর পানি বিপদৎসীমার নিচে নেমে গেছে। পানি কমছে প্লাবিত সাত উপজেলায়ও।

রবিবার (২জুন) সুরমা নদীর পানি সিলেটে পয়েন্টে বিপদসীমা থেকে সামান্য (১ সে.মি.) নিচে নেমেছে বলে জানিছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। রবিবার দুপুর ১২টায় বিপদসীমার ১০.৮০ থেকে ১ সে.মি. কমে ১০.৭৯ নিচে নেমে এসেছে। টানাবৃষ্টি না হলে পানি আরও কমবে বলে জানায় পাউবো।

সিলেট নগরীর কয়েকটি ওয়ার্ডে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দেওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে বিভিন্ন ভাবে কর্মতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ।

সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাজলু লস্কর জানান, সিটি কর্পোরেশন এলাকার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে বন্যা দেখা দেয়। বন্যা হওয়ার পর থেকে সিসিক মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর নির্দেশনায় নানা ভাবে কর্মতৎপরতা চালানো হয়। ভারপ্রাপ্ত মেয়র মখলিছুর রহমান কামরানসহ কর্মকর্তাগণ বন্যা কবলিত এলাকায় পরিদর্শন করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎপর ছিলেন।

তিনি আরও জানান, বন্যায় আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বেশির ভাগ এলাকার। তাছাড়া বন্যার ঝুঁকিতে আছে এমন সকল ওয়ার্ডে আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পানি বাড়লে তাদের ওই আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া হবে। সুরমা তীরবর্তী বিদ্যুৎ সাব স্টেশন গুলো রক্ষার জন্য বালির বস্তা দিয়ে বাধ নির্মান করা হয়ছে। ২৫ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় কাউন্সিলর তাকবিরুল ইসলাম পিন্টু ও রায়হান আহমদের মাধ্যমে বাধ নির্মান করা হয়।

তিনি আরও জানান, নগরীর ১৫নং ওয়ার্ডের কিশোরী মোহন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাশ্ববর্তী একটি ৫ তলা খালি ভবনে দুটি আশ্রয় কেন্দ্রে শতাধীক পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিসিকের স্বাস্থ্য শাখার একটি চিকিৎসক দল সেখানে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন। তাছাড়াও সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এই দুটি আশ্রয় কেন্দ্রসহ বন্যা কবলিত ওয়ার্ডগুলোতে শুকনা খাবার, চিড়া, মুড়ি, ঘুড়, বিশুদ্ধ পানি, পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট, ওরস্যালাইন ও কিছু কিছু ওয়ার্ডে মোমবাতি সরবরাহ করা হয়েছে। শনিবার বিকাল থেকে আশ্রয় কেন্দ্রে রান্না করা খিচুড়ী দেয়া হয়েছে।

সাজলু লস্কর জানান, স্থানীয় কাউন্সিলর ও আমাদের নিজস্ব তথ্যমতে আনুমানিক চার হাজার পরিবার বন্যাকবলিত আছে। আজও আশ্রয় কেন্দ্রে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমান শুকনো খাবার আমাদের মাজে মজুদ আছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain