শিরোনাম :
সিলেটে হামে মৃত্যু বেড়ে ১৩৯ রায়নগরে ট্রিপল মার্ডারের সুষ্ঠ তদন্ত ও আসামিদের গ্রেফতারের দাবি পুলিশ কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজের ইংলিশ ভার্সনে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সিলেটে র‌্যালি ও সমাবেশ: আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সিলেটে র‌্যালি ও সমাবেশ বড়লেখায় তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে কিশোর শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু সিলেটে স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অভিযান: লন্ডন-বেঙ্গলসহ ৫ প্রতিষ্ঠানকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা পুবালী ব্যাংকের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস মদিনা মার্কেট’ ক্যাম্পেইন শুরু প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়ার তৃতীয় প্রয়াণবার্ষিকীতে স্মরণসভা নিবন্ধনের আওতায় আসছে ব্যাটারিচালিত রিকশা-কিছু শর্ত 

সিলেটে কলেজ ছাত্র হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

রিপোর্টার নামঃ
  • শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০১৬ সালের ২৬ নভেম্বর সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন কলেজ ছাত্র মিসবাহ উদ্দিন তাহা (২১)। এ ঘটনায় নিহতের মা নাজমা বেগম কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ৫ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) তাহা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহরিয়ার কবির।

এসময় আদালত তাহা হত্যাতান্ডের মূল আসামি কবির আহমদকে যাবজ্জীবন ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও দুমাসের কারাদন্ড প্রদান করেন আদালত। দন্ডপ্রাপ্ত আসামি কবীর বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এছাড়া হত্যা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রুমেল ও রানা নামের আরও দুই আসামীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। তবে আদালতের এই রায়ে সন্তুষ্ট নন তাহার পরিবার।
এদিকে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন তারা এমনটি জানিয়েছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী আলাউদ্দিন। তিনি বলেন, তাহা হত্যা মামলার রায়ে আমরা যথাযথ বিচার পাইনি। এজন্য আমরা পরবর্তি আইনী লড়াই চালিয়ে যাবো।

সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট সারোয়ার আবদাল জানান, কলেজ ছাত্র তাহা হত্যা মামলায় আদালত কবীর নামের এক আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন। এছাড়া এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত আরও দুই আসামীকে খালাস দিয়েছেন।

আদালত সূত্র জানায়, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা জার্মানী প্রবাসী রহমত উল্লাহর একমাত্র ছেলে মিসবাহ উদ্দিন মিসবাহ তার মা ও দুই বোনের সঙ্গে সিলেট নগরীর মজুমদারী কোনাপাড়া এলাকার একটি বাসায় বসবাস করতেন। তিনি সিলেট কমার্স কলেজ থেকে ২০১৫ সালে এইচএসসি পাস করে সে বছর পাবলিক ভার্সিটিতে চান্স না পাওয়ায় দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মিসবাহ।
হত্যা মামলায় ওই বছর ৮ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থেকে মূল আসামি কবির আহমদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন ৯ ডিসেম্বর বন্দরবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয় কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া আরও দুই যুবক রুমেল ও রানাকে। তিনজনই দক্ষিণ সুরমার বাসিন্দা। ২০১৭ সালর ২০ এপ্রিল ঘাতক কবির, রুমেল ও রানার নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার তৎকালীন এসআই মো. ফয়েজ উদ্দিন ফায়াজ। ঘটনায় জড়িত রাব্বির নাম ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় তার নাম মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain