শিরোনাম :
সিলেটে প্রায় ২০ বছর পর আবার নিজের শ্বশুড় বাড়ির এলাকায় আসছেন তারেক রহমান সিলেট কারাগারের বন্দিরাও এবার ভোট দেবেন ১৬নং ওয়ার্ডে হাওয়াপাড়া ও তাতিপাড়া নাগরিক কমিটির আয়োজনে দোয়া মাহফিল এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফুটালেন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ সিলেটের জৈন্তাপুরে ক্রাশার মিলে অভিযান, ১০ হাজার টাকা জরিমানা শীতার্তদের মাঝে গোয়াইনঘাট ছাত্র পরিষদের শীতবস্ত্র বিতরণ এক বছরে সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩৬৪,নিহতদের বেশি মোটরসাইকলে চালক আরোহী নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে দেশনেত্রীর অবদান অবস্মরণীয় : খন্দকার মুক্তাদির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও খনিজ সম্পদে ভরপুর জৈন্তাকে নতুন রূপে সাজাতে হবে: আরিফুল হক চৌধুরী শোক বই স্বাক্ষরকালে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির

শাবিপ্রবির ২০ অনশনকারী শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি

রিপোর্টার নামঃ
  • সোমবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

শাবি প্রতিনিধি:: উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আমরণ অনশনকারী শিক্ষার্থীর ২০জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে মেডিকেলে ভর্তি হয়েছে।

সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টা পর্যন্ত ২০ জন শিক্ষার্থী মেডিকেলে ভর্তি আছেন বলে জানা যায়। বর্তমানে ৮ জন অনশনকারী শিক্ষার্থী ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান করছেন।

সর্বশেষ গুরুতর অসুস্থ হয়ে আরও ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয় এতে মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। বাকি ৮ জন অনশনরত অবস্থায় উপাচার্য বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। রোববার বিকেলে গণঅনশনের অংশ হিসেবে যোগ দিয়েছেন ৪ জন শিক্ষার্থী।

এরআগে রোববার সাড়ে ৭টায় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বাস ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এতে ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন তিনি।

উল্লেখ্য, শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শুরু ১৩ জানুয়ারি। রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদ লিজার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন হলের কয়েক শ ছাত্রী। ১৬ জানুয়ারি বিকেলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি ভবনে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করেন। তখন শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা করে উপাচার্যকে মুক্ত করে পুলিশ। এরপর পুলিশ ৩০০ জনকে আসামি করে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করে। সেদিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা তা উপেক্ষা করে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তার পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে নামেন।

বাসভবনের সামনে অবস্থানের কারণে গত ১৭ জানুয়ারি থেকেই অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ। ১৯ জানুয়ারি দুপুর আড়াইটা থেকে উপাচার্যের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরণ অনশনে বসেন ২৪ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একজনের বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় তিনি অনশন শুরুর পরদিনই বাড়ি চলে যান। বাকিদের মধ্যে ২০ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ২৩ জানুয়ারি আরও চারজন শিক্ষার্থী অনশনে যোগ দেন।

এর মাঝে উপাচার্য ইস্যুতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ২২ জানুয়ারি গভীর রাতে ভার্চুয়ালি বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। বৈঠকে উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না এলেও দাবিগুলো লিখিতভাবে জমা দেয়ার পরামর্শ দেন তিনি। তবে বৈঠকের পর শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের মূল দাবি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ। এই দাবি না মানা পর্যন্ত তারা আন্দোলন থেকে সরবেন না। ২৩ জানুয়ারি দুপুরের পর শিক্ষার্থীদের আবার শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে তা না হওয়ায় তারা উপাচার্যকে অবরুদ্ধের ঘোষণা দেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain