শিরোনাম :
বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ (বাবৌযুপ) সিলেট’র স্বজন স্মরণ কর্মসূচি সম্পন্ন বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ সিলেট ওসমানীনগরে ফের সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ২ সিলেট মহানগর জমিয়তের মিছিল-সমাবেশ গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন, সম্পাদক কে.এম. লিমন সিলেটবাসী সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন-বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে কিনব্রিজের পাশে ফের নতুন সেতু নির্মাণের উদ্যোগ পরিদর্শনে আসছেন বাণিজ্য মন্ত্রী সাংবাদিক শাহাব উদ্দিন শিহাবের মাতার ইন্তেকালে ইমজার শোক সিলেটে আম্বরখানা পয়েন্টে জামায়াতের ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্পেইন ফটো সাংবাদিক মামুন হাসানের পাশে তামাবিল পাথর আমদানিকারক গ্রুপ, প্রদান করা হলো আর্থিক সহায়তা

সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ৫০ দম্পতিকে সংসারে ফেরালেন

রিপোর্টার নামঃ
  • মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০২২
  • ৩৫২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: কেউ একে অপরকে ভালোবেসে, কেউ আবার পারিবারিক সিদ্ধান্তে একসঙ্গে জীবন শুরু করেছিলেন। দুজনের মধ্যে গভীর ভালোবাসাও ছিল। কিন্তু পারিবারিক কলহ, ভুল বোঝাবুঝি, যৌতুক, নির্যাতন ইত্যাদি কারণে উড়ে যায় সুখপাখি। সালিশে সমস্যার সমাধান না হওয়ায় দাম্পত্যের ছন্দপতন ঘটে। এক পর্যায়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায় তাদের কলহ।

এমন ৫০ দম্পতিকে আবারও সংসারের বন্ধনে ফিরিয়ে দিলেন সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। যুগান্তকারী এই রায় দুটো মানুষকে আবারও একসঙ্গে জীবন কাটানোর সুযোগ করে দিলো। হাসি ফোটালো তাদের সন্তানদের মুখে।

 

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিজেদের স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মামলাগুলো করেছিলেন সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার ৫০ নারী। এরকম ৫০ দম্পতিকে সুখী জীবনে ফেরানোর প্রয়াস নেন সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন। কোনো আসামিকে কারাগারে না পাঠিয়ে সংসার জীবন চালিয়ে যাওয়ার শর্তে বাদীদের সঙ্গে আপোস করিয়ে দেন।

মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) দুপুরে আদালত এই রায় দেন। এসময় সকল মামলার বাদী-বিবাদী, তাদের আইনজীবী ও পরিবারের লোকজন উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন। আবেগে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে চোখের পানিও ঝরান।

 

আদালতের আপোসনামায় ৫০ দম্পতি অঙ্গীকার করেন, সন্তানাদি নিয়ে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে সংসার করবেন তারা। সংসারে শান্তি বিনষ্ট হয় এমন কোনো কাজ করবেন না। স্বামী-স্ত্রী উভয়কে যথাযোগ্য মর্যাদা দেবেন। স্বামী তার স্ত্রী বা তার মা-বাবা ও অভিভাবকের কাছে যৌতুক দাবি করবেন না। পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য ও বিরোধ দেখা দিলে নিজেরা আলাপ-আলোচনা করে সমাধান করবেন। স্বামী কখনো স্ত্রীকে নির্যাতন করবেন না, স্ত্রীকে নির্যাতন করলে বা যৌতুক দাবি করলে স্ত্রী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।

সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নান্টু রায় বলেন, আদালত পৃথক ৫০টি নারী-শিশু নির্যাতন দমন মামলায় একসঙ্গে যুগান্তকারী একটি রায় দিয়েছেন। আদালতে যে শুধু শাস্তি হয় না পরিবারে শান্তিও ফেরানো হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain