শিরোনাম :
জেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত সিসিকের ২৩নং ওয়ার্ডে খোলা জায়গায় ময়লার স্তূপ, দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি সিলেটের ২৫০ শয্যা হাসপাতালের অনুমোদন-সুখবর দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী এই বাজেটে দাম বাড়তে পারে ও কমতে পারে যেসব পণ্যের ভূমিকম্পে কাঁপল সিলেট মৃত্যুর ৩০ বছর পর শাহজালালের দরগাহ কবরস্থান থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র মরদেহ সিলেট আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে: কয়েস লোদী ১৭ জুন শ্রীমঙ্গল আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুতি চলছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে জাফলংয়ে কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৭ বাংলাদেশি

শিশু আরাফাত হত্যা: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার ২

রিপোর্টার নামঃ
  • বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২
  • ৩২২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: কাঠাল চুরির কথা বলে ডেকে নিয়ে যায় মাদ্রাসা ছাত্র শিশু আরাফাত আলীকে (১১)। পরিকল্পনা করা হয় আরাফাতকে হত্যা করে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের। এজন্য একটি মোবাইল সিম চুরি করা হয়। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরাফাতকে হত্যার পর তার বাবা মায়ের কাছে চাওয়া হয় মুক্তিপণের টাকা। পাঁচ লাখ টাকা না পেলে ছেলেকে হত্যা করা হবে। একটি এসএমএস লিখে জানায় `তুই খুব বড় একটা জিনিস হারাতে চলেছিস”। ততক্ষণে শিশু আরাফাতকে হত্যার পর একটি বাঁশঝাড়ে লাশ পুতে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখে অপহরণকারী। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে যশোরের নড়াইল এলাকায়।

এ ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মূল পরিকল্পনাকারীসহ দু’জনকে গ্রেফতার করে। তারা হল, নাবিল (১৬) ও অভিযুক্ত মিলন হসেন (২২)। যশোর জেলা

 

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন সময়ের আলোকে বলেন, ফিল্মি স্টাইলে শিশু আরাফাতকে হত্যা করে মুক্তিপণ চাওয়া হয়। গত ১২ মার্চ মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেনি আরাফাত। এর পর ভিকটিমের বাবা নড়াইল সদর থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি করেন। ওই জিডি তদন্ত করতে গিয়ে মূল পরিকল্পনাকারী নাবিল ও মিলন হোসেনের সম্পৃক্ততা পাই।

এসপি রেশমা শারমিন আরো জানা, বুধবার ভোর পৌনে ৬ টায় দুজনকে আটকের পর তাদের দেয়া তথ্য মতে ভিকটিম শিশু আরাফাতের লাশ
বোড়ামারা গ্রামের একটি বাঁশঝার থেকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় নাবিলে হেফাজত থেকে মুক্তিপণ আদায়ের জন্য ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার বিবরনীতে এসপি আরো বলেন, আরাফাতের বাবার নাম মো. ওবাইদুর রহমান শিকদার (৪৩), মাতা নূরজাহান বিবি। ছেলে মো. আরাফাত আলী (১১) পেড়লী দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। গত ১২ মার্চ সকাল অনুমান ৯ টায় মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়। ওইদিন বিকাল ৩টা বেজে গেলেও আরাফাত আলী বাড়িতে ফিরে না আসায় তার বাবাসহ নিকটাত্মীয় স্বজনরা তাকে খোঁজাখুজি করে না পেয়ে নিখোজ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় জিডি করেন। পরের দিন আরাফাতের বড় ভাই মো. মহব্বত আলীর (১৮) মোবাইল নম্বরে “তুই খুব বড় একটা জিনিস হারতে চলেছিস” লিখা মেসেজ আসে। এই এসএমএস পেয়ে গত ১৪ মার্চ ভিকটিম জিডি কপি নিয়ে পুলিশ সুপার, পিবিআই, যশোর বরাবরে আবেদন করেন। পিবিআই যশোর জেলা বিষয়টি আমলে নিয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে। একপর্যায়ে পিবিআই পুলিশ সুপার রেশমা শারমিনের তত্ত্ববধান ও দিক নির্দেশনায় অন্যান্য সদস্যরা দুজনকে গ্রেফতার করে।

 

গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা নেশাগ্রস্ত। নেশার টাকা যোগাতে ও মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করে আরাফাতকে কাঁঠাল চুরি কথা বলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে আসে। এরপর জনৈক মাহাবুবুর রহমানের বাঁশবাগানে নিয়ে হত্যা করে লাশ পূতে পাতা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়।

এঘটনায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন। অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন আরো জানান, মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিল কিশোর নাবিল। তার বক্তব্যে আরো তথ্য বেরিয়ে আসছে। মামলাটি তদন্তভার পিবিআই করবে বলে তিনি জানান।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain