শিরোনাম :
সাবেক ছাত্রনেতা জুনেদ আহমেদকে সিলেট বিমানবন্দরে সংবর্ধনা প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা: জোবায়দা রহমান এর জন্মবার্ষীকিতে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ সাবেক ছাত্রনেতা সামী ও রাজকে আমাদের জাতীয়তাবাদী পরিবারের সংবর্ধনায়-কয়েছ লোদী সিলেট শাহজালাল মাজারের দানের ডেগ সিলগালা, বসলো প্রশাসনের দানবাক্স, নিরাপত্তায় আনসার প্রবাসীদের সুরক্ষায় ও বিনিয়োগ সহজ করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে: মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের পবিত্র মাটিতে আ.লীগ ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের ঠাঁই নেই-বিক্ষোভ সামাবেশে বক্তারা এতিমদের সাথে জন্মদিন কাটালেন এমসি কলেজ ছাত্রদল নেতা রাজিব সিলেট সীমান্তে ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতার জেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত সিসিকের ২৩নং ওয়ার্ডে খোলা জায়গায় ময়লার স্তূপ, দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি পারস্পরিক স্বার্থে ব্যবহারে জোর: উদ্বেগের কিছু নেই বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার নামঃ
  • মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

অনুসন্ধান ডেস্ক ::: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তিকে পারস্পরিক স্বার্থে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি বলেছেন, “যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি দুই পক্ষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। এতে উভয় পক্ষের স্বার্থের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। কাজেই এই চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই।”
মঙ্গলবার (৫ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডন লিঞ্চ-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এই চুক্তির সূচনাকারী নয়, তবে রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। “রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত কোনো চুক্তি ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয় যে ইচ্ছামতো বাতিল করা যাবে। এটি একটি বাস্তবতা এবং আমরা সেটিকে দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে চাই”।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া (ইনভেস্টিগেশন) শুরু করা হয়েছে, যার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং প্রাপ্ত ব্যাখ্যার প্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ জানানো হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, বিদ্যমান চুক্তির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের তদন্ত শুরু না হলে তা আরও ইতিবাচক হতো।”
বাংলাদেশের উৎপাদন ও বাণিজ্য বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে কোনো ক্ষেত্রেই ‘ওভার ক্যাপাসিটি’ নেই এবং বাংলাদেশ ডাম্পিং করে এমন অভিযোগও ভিত্তিহীন। “আমরা অধিকাংশ পণ্য আমদানি করি। যেগুলো রপ্তানি করি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে তা কঠোর আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্সের মধ্যে পরিচালিত হয়। সেখানে শ্রম আইন লঙ্ঘন বা শিশুশ্রমের কোনো সুযোগ নেই,”তিনি যোগ করেন।
চুক্তি বাতিলের প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “এই সরকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে সবসময় দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়। কোনো চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তা সংশোধনের সুযোগ সেই চুক্তির মধ্যেই রয়েছে।” তিনি এটিকে ‘সেলফ কারেক্টিং এলিমেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, “চুক্তির মধ্যেই সংশোধন বা সমন্বয়ের প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে। তাই এটি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ বা আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।” বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারসহ বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব রুটিন দায়িত্ব মো : আবদুর রহিম খান এসম উপস্থিত ছিলেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain