শিরোনাম :
টাঙ্গুয়ার হাওরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পর্যটকের মৃত্যু ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সিলেটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে গোয়াইনঘাটে মানববন্ধন শরীয়াহ বিরোধী রায় বাতিলের দাবিতে সিলেটে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল প্রাথমিক শিক্ষায় বেসরকারি স্কুলগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে–এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী সিলেটে পৃথক অভিযানে ‘ডাকাত’ ও ‘ছিনতাইকারী’ গ্রেপ্তার সিলেট ষ্টেশন ক্লাব লিমিটেডের মহিলা উপ-পরিষদ-এর অভিষেক সম্পন্ন পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে রংপুরে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের বৃক্ষরোপণ সিলেট মহানগর বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ইউনিটি ট্রাভেলস গ্রুপ-এর উদ্যোগে সিলেট ট্যুরিস্ট ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার নামঃ
  • শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২
  • ২৮২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: স্বপ্নের সেতুর দুয়ার খোলার অপেক্ষা শেষ। বহু কাঙ্ক্ষিত সেই পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া পয়েন্টে সেতু উদ্বোধন করেন তিনি।

সেতু উদ্বোধনের মাধ্যমে খুলে গেল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলার সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের অপর অংশের সংযোগ, যোগাযোগ ও সম্ভাবনার দুয়ার।

মাওয়া প্রান্তে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে টোল দিয়ে গাড়িতে সেতু পার হবেন প্রধানমন্ত্রী। অপর প্রান্তে ফলক উন্মোচনের পর বেলা ১২টায় যোগ দেবেন সমাবেশে।

সেখানে আজ ভোর থেকেই মানুষের ঢল নেমেছে। দক্ষিণ বঙ্গের নানা প্রান্ত থেকে সেখানে জড়ো হচ্ছে মানুষ। এই সমাবেশে ১০ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে বলে জানিয়েছেন আয়োজকেরা।

এর আগে আজ সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে হেলিকপ্টার করে মাওয়া সমাবেশ স্থলে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রথম সুধী সমাবেশে ভাষণ দেন।

প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ৪ জুলাই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার পর ২০১২ সালের ২৯ জুন অর্থায়ন বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। ২০১২ সালের ৯ জুলাই নিজের টাকায় নির্মাণের ঘোষণা দেয় সরকার। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর মূল সেতুর নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকা থেকে ৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সেতুর অবস্থান। মাওয়া ও জাজিরা উপজেলা দুটিকে সংযুক্ত করেছে সেতুটি। এ দুই অঞ্চলের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগব্যবস্থা একান্ত প্রয়োজন ছিল। তাই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ১৯টি জেলাকে উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করতে কোটি জনতার সময়ের দাবি ছিল পদ্মার দুপারের সেতুবন্ধ। এতে করে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল থেকে ঢাকার দূরত্ব ১০০ কিলোমিটার কমল। ঢাকা ও বেনাপোল স্থলবন্দর, মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ঢাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হলো। পদ্মা সেতুতে রেললাইন থাকায় ট্রান্স-এশিয়ান রেল নেটওয়ার্ক এবং ঢাকা ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে।

পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। দ্বিতল এই সেতুর এক অংশ পদ্মা নদীর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত এবং অপর অংশ নদীর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে যুক্ত। একই সঙ্গে ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে এ সেতুতে।

চার লেন বিশিষ্ট ৭২ ফুট প্রস্থের এ সেতুর নিচতলায় রয়েছে রেললাইন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain