শিরোনাম :
এমপি এম এ মালিকের সাথে মোল্লারগাঁও ইউনিয়নবাসীর ঈদ পুনর্মিলনী সিলেটেও ‘হাম’ আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা, হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট চালু সিলেটে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই-কর্নেল নাজমুল ইসলাম ‎সিসিকের প্রশাসক বরাবর ব্যাটারি চালিত রিক্সা মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের স্মারকলিপি রহমানিয়া প্রতিবন্ধী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের স্বনির্ভর প্রকল্পের আওতায় অসহায় ব্যক্তিকে ঠেলাগাড়ি উপহার শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজের ৭৭তম জন্মতিথি: সিলেট ইসকন মন্দিরে আনন্দমুখর অনুষ্ঠান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হকার্স শেড দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস সিসিক প্রশাসকের গ্রিসে যাওয়ার পথে সাগরে প্রাণ হারানো ১০ জনই সুনামগঞ্জের সাগর পথে গ্রিসে যাওয়ার সময় নিহতদের মধ্যে ৪ জন দিরাইয়ের ৭১ কখনো অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে মিলবে না’: কয়েস লোদী

জি কে শামীমসহ আটজনের যাবজ্জীবন দণ্ড

রিপোর্টার নামঃ
  • রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২২৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: অস্ত্র মামলায় জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুলের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- জিকে শামীমের সহযোগী সাত দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেপ্তার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা করা হয়। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়া ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।

একই বছরের ২৭ অক্টোবর আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক অস্ত্র মামলায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত মামলার চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এ মামলায় ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়েছেন বলে ডকুমেন্ট দেখালেও তা যাচাইয়ে এর সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ওই অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এস এম বিল্ডার্স কোম্পানিতে যোগদান করেন। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি তিনি জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগদান করে কাজ করেন। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন।

এছাড়া অন্যান্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain