শিরোনাম :
সিলেটে জিএসসি ইউকে’র ‘ওমেন এমপাওয়ার প্রজেক্ট’-এর সনদ বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শাহ্ খুররম ডিগ্রী কলেজে ভবন বরাদ্দ- মুক্তাদিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও দোয়া মাহফিল এবার ইউনিয়ন পরিষদ এর নির্বাচন কবে-জানা গেল মির্জা ফখরুল হোটেল শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কর্মীসভা অনুষ্ঠিত সিলেটে হামে শিশু মৃত্যু থামছেই না, প্রাণ গেল আরও দু’জনের সিলেট মহানগরের ৬ থানা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সিসিক প্রশাসকের মতবিনিময় ইসকনের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক: সিলেটে শতাব্দীর পর শতাব্দী হিন্দু-মুসলিম সহাবস্থান সিলেটের ভাঙাচোরা সড়ক নিয়ে সিসিক প্রশাসকের ক্ষোভ, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান নতুন এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ, কুদ্দুস চট্টগ্রামে বদলি আগামী বছরের হজ: সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা

দুর্ঘটনার বর্ণনা দিলেন আহত নির্মাণ শ্রমিক রবিউল

রিপোর্টার নামঃ
  • বুধবার, ৭ জুন, ২০২৩
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: হঠাৎ বিপরীত দিক থেকে একটি ট্রাক এসে আঘাত করলে আমাদের পিকআপ উল্টে যায়। ট্রাকটি সড়কে তার ডানে চলে এসেছিল। দুর্ঘটনায় আমি আর বাবা আহত হলেও প্রাণে বেঁচে আছি। তবে আমার বড় চাচা আর নেই।

সিলেটের নাজিরবাজারে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনার এভাবেই বর্ণনা দিলেন রবিউল ইসলাম। তিনি ওই পিকআপে ছিলেন। তার বাবা ঠিকাদার শের ইসলামের সঙ্গে নির্মাণশ্রমিক নিয়ে গোয়ালাবাজারে যাচ্ছিলেন।

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শের ইসলাম বলেন, বিপরীত দিকে থেকে আসা ট্রাকের ভুলেই এতগুলো প্রাণ ঝরে গেল। আমার ভাই মারা গেছেন। আরও কয়েকজন বন্ধু ও স্বজন আহত হয়েছেন।

দুপুর সাড়ে ১২টায় সরেজমিনে দেখা যায়, ওসমানী হাসপাতালের প্রাঙ্গণে হতাহতদের স্বজনেরা ভিড় করেছেন। তাদের অনেকের কান্নায় হাসপাতালের বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে।

নিহতদের মরদেহ ওসমানী হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সেজন্য অপেক্ষা করছেন স্বজনেরা। আহতদের কারও হাতে, কারও পায়ে ব্যান্ডেজ। চোখে-মুখে সদ্য ঘটা ভয়াল অভিজ্ঞতার রেশ।

বুধবার সকাল ছয়টার দিকে ঘটা এই দুর্ঘটনায় দুপুর একটা পর্যন্ত মারা গেছেন ১৪ জন। হতাহতদের সকলেই নির্মাণশ্রমিক।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain