শিরোনাম :
গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের অবকাঠামো উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকা অনুদান সিলেট মিলেনিয়াম শপিং কমপ্লেক্স-এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সম্মিলিত ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের নিরঙ্কুশ বিজয় হাফেজরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনাম অর্জন করছেন: আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ২০২৯ সালের মাঝমাঝি চলাচলের জন্য প্রস্তুত হবে ঢাকা-সিলেট ছয় লেন সড়ক: বাণিজ্যমন্ত্রী খেলাধুলা যুবসমাজকে সুসংগঠিত ও মাদকমুক্ত রাখতে ভূমিকা রাখে: কয়েস লোদী এদেশে সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই, তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগোবে বাংলাদেশ: এম এ মালিক সিলেটে রাতভর মাদকবিরোধী অভিযান, ৪৪ জনকে দণ্ড জামায়াত দায়িত্বশীলদের মানবিক গুণ ও নৈতিক মানে সেরা হতে হবে-ডা. শফিকুর রহমান এমপি ফ্যাসিস্ট ও গুপ্তদের রুখতে যুবদল-স্বেচ্ছাসেবক-ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলে রাখতে হবে-মোনায়েম মুন্না সুনামগঞ্জে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

জুড়ীতে বাঘ আতঙ্ক!-রাত জেগে পাহারা

রিপোর্টার নামঃ
  • রবিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৩
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: বাঘ আতঙ্কে রয়েছেন জুড়ীর জায়ফরনগর ইউনিয়নের হাসনাবাদ, বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দারা। যেকোন সময় আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে রাত জেগে পাহারা দেওয়া হচ্ছে। টিলা-জঙ্গলবেষ্টিত উপজেলার এ এলাকায় মাঝে মধ্যেই বাঘ দেখা যায়।

গত কয়েকদিন থেকে সন্ধ্যার পর হাসনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে দুইটি বাঘ দেখতে পাচ্ছেন এলাকাবাসী। ভোরে সেই বাঘগুলো মাঠ ছেড়ে পাশের জঙ্গলে চলে যায় বলে এলাকাবাসীর ধারনা।

স্থানীয় বাসিন্দা রাহিদুল ইসলাম রনি বলেন, বাঘগুলো কীভাবে এসেছে তা আমরা জানি না। সন্ধ্যার পর স্কুলের মাঠে শুয়ে থাকে। ভোরে চলে যায়। বড় আকৃতির দুইটি বাঘ রয়েছে। এগুলো সম্ভবত চিতা বাঘ হবে।

এলাকাবাসী জানান, এই এলাকায় এক সময় পাহাড় জঙ্গল ছিল। আগে মানুষের বসতি ছিল না। তখন এসব এলাকায় বড় বড় বাঘ, হরিণ, হাতিসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণি ছিল। ধীরে ধীরে মানুষের বসতি গড়ে ওঠার কারণে এসব পশু-পাখি চলে যায়। এখনও বাহাদুরপুরের পূর্বে কিছু জঙ্গল রয়েছে যেসব এলাকায় কিছু বন্যপ্রাণি বসবাস করে। বেশিরভাগ সময় বানরের দল খাদ্যের অভাবে লোকালয়ে এসে বসতবাড়ির ফলমূল খেয়ে চলে যায়। এখনও সন্ধ্যার সময়ে এসব এলাকায় শেয়ালের পাল নামে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো আজাদ মিয়া জানান, কয়েকজন মহিলা বাঘ দেখেছেন বলে আমাকে জানিয়েছেন। বাঘ যদি আর আসে সবাই মিলে বন্যপ্রাণি অফিসে খবর দেবো।

বন্যপ্রাণি ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ (মৌলভীবাজারের) বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এসব এলাকায় চিতা বাঘ থাকার কোন তথ্য আমাদের কাছে নেই, তবে মেছো বিড়াল থাকতে পারে। লোক পাঠিয়ে খবর নেওয়া হবে।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain