শিরোনাম :
সিলেটে সিএনজিচালক হত্যা: একই পরিবারের পাঁচজন গ্রেপ্তার টি.এস হজ্জ এন্ড উমরাহ গ্রুপের উমরাহ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রে ফের চালু হচ্ছে ডিভি লটারি সিলেটে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব আজ বিজয়া দশমী-বিদায় নেবেন দেবীদুর্গা সিলেটে পূজার নিরাপত্তায় বিজিবির বিশেষ সতর্কতা-সেক্টর কমান্ডার সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত চৈতালী সংঘের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জালালাবাদ থানা শাখা কতৃক দূর্গাপুজা’য় উপহার সামগ্রী বিতরন

এম‌সি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: রায় পড়া শুরু, আদালতে আসামিরা

রিপোর্টার নামঃ
  • মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

অনুসন্ধান ডেস্ক ::: সিলেটের মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায় রায় পড়া শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় পড়া শুরু করেন। এরআগে সকালেই কড়া নিরপাত্তায় আসামিদের আদলতে হাজির করা হয়।

চাঞ্চল্যকর এ মামলার আসামিরা হলেন সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই ছাত্রলীগের টিলাগড়কেন্দ্রিক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে গত বছরের মে মাসে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গৃহবধূ, তাঁর স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক, ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন। সাক্ষ্য গ্রহণকালে বাদীর সাক্ষ্য নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে (২০) দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‍্যাব অভিযান চালিয়ে ছয়জন নাম উল্লেখিত ও সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়। ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain