অনুসন্ধান ডেস্ক ::: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কৃষিনির্ভর এলাকায় কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত কলকারখানা গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে কৃষকরা আরও দাম পেতে পারেন। কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে গতকাল বসেছি। এছাড়া বিভিন্ন দেশের এবং দেশীয় ব্যবসায়ীরা কোল্ডস্টরেজ তৈরিতে আগ্রহী। এ বিষয়ে সরকার উদ্যোগী। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষককে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা বিএনপির লক্ষ্য জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত। বাকিরা কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত। বিএনপি সরকার বিশ্বাস করে, কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। তাই বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার ১০টি সুবিধা সংবলিত কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে কৃষক ও কৃষির সুবিধার্থে। ভূগর্ভস্থ পানির দিকে নজর দিতে হবে। কারণে এটি কমতে শুরু করেছে। তাই যেনো সেটাকে বাঁচানো যায়। ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া ৫ হাজার পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করেছেন, খাজনা মওকুফ করেছেন। জিয়াউর রহমান খাল খনন শুরু করার ১ বছরে কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল দেশ। বিদেশে রফতানি শুরু হয়েছিল।
কৃষকদের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ এখন সামাজিক অনুষ্ঠানে রূপ নিলেও এটি মূলত কৃষকদের সঙ্গে সম্পর্কিত। সেজন্য আজ এই কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছি। প্রাথমিকভাবে ২২ হাজার কৃষক পাচ্ছেন এ কার্ড। পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ চাষি কৃষক কার্ড পাবেন। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির মধ্যে এটি অন্যতম। এ ছাড়া, কৃষি ঋণ ১০ হাজার পর্যন্ত মওকুফ করেছি প্রথম সপ্তাহে। ১২ লাখ কৃষক এই সুবিধা পেয়েছেন।