শিরোনাম :
জেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ ও সায়েন্স প্রজেক্ট শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত সিসিকের ২৩নং ওয়ার্ডে খোলা জায়গায় ময়লার স্তূপ, দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি সিলেটের ২৫০ শয্যা হাসপাতালের অনুমোদন-সুখবর দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী এই বাজেটে দাম বাড়তে পারে ও কমতে পারে যেসব পণ্যের ভূমিকম্পে কাঁপল সিলেট মৃত্যুর ৩০ বছর পর শাহজালালের দরগাহ কবরস্থান থেকে তোলা হবে সালমান শাহ’র মরদেহ সিলেট আম্বরখানা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে: কয়েস লোদী ১৭ জুন শ্রীমঙ্গল আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুতি চলছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে জাফলংয়ে কৃষকদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৭ বাংলাদেশি

সিলেটের ২৫০ শয্যা হাসপাতালের অনুমোদন-সুখবর দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

রিপোর্টার নামঃ
  • মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

অনুসন্ধান ডেস্ক ::: সিলেট জেলা হাসপাতাল নামে পরিচিত সিলেটের ২৫০ শয্যার হাসপাতাল অবশেষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন পেয়েছে। এরফলে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এই হাসপাতালটি চালুর আশা করছেন সংশ্লিস্টরা।

সোমবার সিলেটের ২৫০ শয্যার হাসপাতালের অনুমোদন হয় বলে বিকেলে বিকেলে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মক্তাদির।

ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আজ সিলেটে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবার অধিকতর সুযোগ পাবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী লিখেন, ‘সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে এই উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। সিলেটের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক।’

নগরের চৌহাট্টা এলাকায় প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। নির্মাণকাজ ২০২৩ সালে শেষ হলেও এতোদিন এটি চালু করা যায়নি। ফলে প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে এ হাসপাতাল।

গত ৩১ মে মাসে সিলেট সফরে এসে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এই হাসপাতাল চালুর আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, ‘সিলেটে শীঘ্রই ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে। এছাড়া সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি ১২০০ শয্যার অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে।’

তারও আগে গত ২০ এপ্রিল সিলেট জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এই হাসপাতাল নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, শত কোটি টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটি নির্মাণ করা হলেও এটি কেন নির্মিত হয়েছে কেউ জানে না। স্বাস্থ্যসংশ্লিস্ট কোন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা না করেই এই স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। আমি সংশ্লিস্টদের সাথে আলাপ করে এটি চালুর ব্যবস্থা করবো।

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে ৬ দশমিক ৯৮ একর জায়গার ওপর এই জেলা হাসপাতাল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণপূর্ত অধিদপ্তর হাসপাতালটির অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্ব দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পদ্মা অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডকে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে কাজ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।

হাসপাতাল চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, ভবন নির্মাণসহ রংকরণের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভবনে হাসপাতালের কোনো যন্ত্রপাতি আনা হয়নি।

জানা গেছে, হাসপাতাল ভবন নির্মাণ শেষ হলেও ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সিভিল সার্জন কার্যালয় নাকি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তা পরিচালনা করবে, সেটি এখনও নির্ধারণ হয়নি। হাসপাতাল হস্তান্তরের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ না পাওয়ায় গণপূর্ত বিভাগ এরই মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠিও দিয়েছে।

গণপূর্ত বিভাগ জানায়, ১৫ তলা হাসপাতাল ভবনে আটতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রঙের কাজ, ইলেক্ট্রিক, টাইলস, গ্লাস, দরজা, জানালা লাগানোও সম্পন্ন। হাসপাতাল ভবনের বেসমেন্টে রয়েছে কার পার্কিং; প্রথম তলায় টিকিট কাউন্টার, ওয়েটিং রুম; দ্বিতীয় তলায় আউটডোর, রিপোর্ট ডেলিভারি ও কনসালট্যান্ট চেম্বার; তৃতীয় তলায় ডায়াগনস্টিক; চতুর্থ তলায় কার্ডিয়াক ও জেনারেল ওটি, আইসিসিইউ, সিসিইউ; পঞ্চম তলায় গাইনি বিভাগ, অপথালমোলজি, অর্থোপেডিক্স ও ইএনটি বিভাগ এবং ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম তলায় ওয়ার্ড ও কেবিন। এর মধ্যে আইসিইউ বেড ১৯টি, সিসিইউ বেড ৯টি এবং ৪০টি কেবিন রয়েছে।

গত ২ মে সিলেট সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দ্রুততম সময়ে হাসপাতালটি চালুর আশ্বাস দিয়েছিলেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain