শিরোনাম :
নতুন এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ, কুদ্দুস চট্টগ্রামে বদলি আগামী বছরের হজ: সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও সম্পদের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: প্রশাসক আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক মেসির আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন ‎ সিলেটে হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু সিলেট বিভাগে সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত থাকবে ভারী বৃষ্টি এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান কামনায় বিশ্বনাথে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট জগতের ঐতিহাসিক আয়োজন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনার্স কনফারেন্স সম্পন্ন

সিলেটে বন্যাঘর ভেঙেছে ৪০ হাজার, সহায়তা পেয়েছেন মাত্র ৬ হাজার

রিপোর্টার নামঃ
  • শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: চলমান বন্যায় সরকারি হিসাবেই সিলেট জেলায় ৪০ হাজার ৯১টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বাস্তবে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির সংখ্যা আরও বেশি বলে বানভাসি মানুষেরা জানিয়েছেন।

এর মধ্যে মাত্র ৬ হাজার ঘর পুনর্নির্মাণ কিংবা সংস্কারের জন্য সরকারি বরাদ্দ এসেছে। সরকারের হিসাব ধরলে মাত্র ১৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মালিকেরা এ অনুদান পেলেন।

ভুক্তভোগী ব্যক্তিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, পানি ঢুকে অনেকের ঘরের বেড়া ভেসে গেছে। কারও বেড়া আর টিনের চাল দুমড়েমুচড়ে গেছে। অনেকের মেঝে দেবে গেছে। বন্যার পানির তীব্র স্রোতে অনেকের ঘরের টিন ও খুঁটিসহ পুরোপুরিই ভেসে গেছে। অনেকেই সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন না। আবার টাকার অভাবেও অনেকে ঘর পুনর্নির্মাণ করতে পারছেন না। এ অবস্থায় অনেকেই আশ্রয়হীন হয়ে অন্যের বাড়িতে দিন যাপন করছেন।

বন্যায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার শিমুলতলা গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা দিলু মিয়ার (৭২) ঘর বিধ্বংস্ত হয়েছে। তার ঘরের মেঝে দেবে গেছে। ভেঙে গেছে বেড়ার একাংশ। দিলু জানান, টাকার অভাবে তিনি ঘর সংস্কার করতে পারছেন না। প্রয়োজন সত্ত্বেও ঘর নির্মাণে কোনো সরকারি বরাদ্দ পাননি।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, বন্যায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৩টি। এ পরিবারের ২৯ লাখ ৯৯ হাজার ৪৩৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দকৃত এ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা করে ৫ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মালিককে বিতরণ করা হয়েছে। এর বাইরে সরকারিভাবে আরও বরাদ্দ এসেছে ৬০ লাখ টাকা এবং ২ হাজার বান্ডিল ঢেউটিন। এসব টাকা ও ঢেউটিন ১ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মালিকের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মালিক পেয়েছেন ৬ হাজার টাকা ও ২ বান্ডিল করে ঢেউটিন।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, সরকারি হিসাবে যেসব ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির তালিকা করা হয়েছে, প্রত্যেকেই আর্থিক অনুদান পাবেন। শিগগিরই জেলার কানাইঘাট ও গোয়াইনঘাট উপজেলায় ঘরবাড়ি নির্মাণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের মালিকদের ঘর নির্মাণ কিংবা সংস্কারে বরাদ্দ দেওয়া হবে।

সিলেট প্রথম দফা বন্যার কবলে পড়ে গত মে মাসে। এরপর গত ১৫ জুন শুরু হয় দ্বিতীয় দফা বন্যা। এখনো জেলার অন্তত ৩০ শতাংশ এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain