শিরোনাম :
এমসি কলেজে ধর্ষণ: সাইফুরের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ৪ জন খালাস মোগলাবাজারে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে র‌্যালি ও সমাবেশ সিলেটে বাঘের সড়কে গাড়ির ধাক্কায় মেছো বিড়ালের মৃত্যু এম‌সি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: রায় পড়া শুরু, আদালতে আসামিরা টানা বৃষ্টি, বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃত বেড়ে ৫১ দেশজুড়ে অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা বরিশাল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, অংশ নিয়েছেন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেল হরষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪ শিক্ষার্থী সিলেটে প্রেমিকের সঙ্গ না ছাড়ায় মেয়েকে হত্যা আদালতে পিতার জবানবন্দি শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করলেন কয়েস লোদীসহ ৯ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

এম‌সি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: রায় পড়া শুরু, আদালতে আসামিরা

রিপোর্টার নামঃ
  • মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

অনুসন্ধান ডেস্ক ::: সিলেটের মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায় রায় পড়া শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় পড়া শুরু করেন। এরআগে সকালেই কড়া নিরপাত্তায় আসামিদের আদলতে হাজির করা হয়।

চাঞ্চল্যকর এ মামলার আসামিরা হলেন সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমান। তারা সবাই ছাত্রলীগের টিলাগড়কেন্দ্রিক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে গত বছরের মে মাসে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গৃহবধূ, তাঁর স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক, ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন। সাক্ষ্য গ্রহণকালে বাদীর সাক্ষ্য নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে (২০) দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‍্যাব অভিযান চালিয়ে ছয়জন নাম উল্লেখিত ও সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়। ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain