অনুসন্ধান ডেস্ক ::: সিলেট মহানগর বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর কাজীর বাজার তোপখানাস্থ মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামের সিলেট সফর সফরে অভ্যর্থনা জানানো সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করছে। সরকারের এই অর্জনগুলোকে আমাদের যেকোনো মূল্যে ধরে রাখতে হবে। জাতীয়তাবাদী নেতাকর্মীদের সরকার এবং সাধারণ জনগণের মাঝে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে হবে। কেউ দলের নাম ভাঙিয়ে ফায়দা লুটার চেষ্টা করলে কিংবা কোন অন্যায় কাজে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের নেওয়া জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপগুলো সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটিকে আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, মহানগর বিএনপির কার্যক্রমকে আরো বেশি গতিশীল করতে ও দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ড কমিটি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় করে যাচ্ছি। আমাদের দল ক্ষমতায় থাকলেও সরকারের অর্জনগুলো ধরে রাখতে দলে ইস্পাত কঠিন ঐক্য ধরে রাখার কোন বিকল্প নেই।
সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী’র পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) মিফতাহ সিদ্দিকী, সহ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক
আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডাঃ শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির শাহীন।
সভায় বিশেষ অতিথিবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে আমাদের দল আজ রাষ্ট্র পরিচালনার যে দায়িত্বে রয়েছে, তা আমাদের জন্য এক বিরাট পরীক্ষা। প্রতিটি জাতীয়তাবাদী নেতাকর্মীকে সরকারের সাফল্য এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন দর্শন সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। দেশের এই অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন মহলের ষড়যন্ত্র আজও অব্যাহত আছে। সেসব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ থাকতে হবে। সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসাইন তাঁর বক্তব্যে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ততার ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, দল ক্ষমতায় থাকলেও আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম কোনোভাবেই শিথিল করা যাবে না। বরং এখন আমাদের আরও বেশি সুসংগঠিত ও জনবান্ধব হতে হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ডাঃ নাজমুল ইসলাম, জিয়াউল হক জিয়া, সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, আমির হোসেন, এডভোকেট শাহ আশরাফুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান সাদিক, ডাঃ আশরাফ আলী, আব্দুল হাকিম, আফজাল উদ্দিন ও আব্দুর রহিম মল্লিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুর্শেদ আহমদ মুকুল, শামীম মজুমদার, মির্জা বেলায়েত হাসান লিটন, শুয়াইব আহমদ শোয়েব, আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, রেজাউল করিম আলো, আক্তার রশিদ চৌধুরী, মঞ্জুরুল হাসান মঞ্জু, মতিউল বারী খুর্শেদ, নাদির খান ও আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, জাকির হোসেন মজুমদার, রফিকুল ইসলাম রফিক, দেওয়ান জাকির ও খসরুজ্জামান খসরু, প্রচার সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মোহন, দপ্তর সম্পাদক তারেক আহমদ খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ মিলন আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আবুল ফজল, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডাঃ এম এ হক বাবুল, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদকশেখ কবির আহমদ, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান আরাফাত চৌধুরী জাকি, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ফয়েজ উদ্দিন মুরাদ, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্পাদক সবুর আহমদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক তাজ উদ্দিন মাসুম, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মুনিম, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান মোহন, সমবায় বিযয়ক সম্পাদক আব্দুল হাদী মাসুম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ লোকমানুজ্জামান, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মিজান আহমদ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মফিজুর রহমান জুবেদ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুল আজিজ লাকি, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সালেহ আহমদ গেদা, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক খায়েরুল ইসলাম খায়ের, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রহিম আলী রাসু, রেজাউর রহমান রুজন, সাব্বির আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম জীবন ওসফিক নুর, সহ প্রচার সম্পাদক আলী হায়দার মজনু, সহ দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মালেক, সহ শিক্ষা সম্পাদক আব্দুল মালিক সেকু, সহ সমাজ কল্যান সম্পাদকশামীম আহমদ লোকমান, সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক রুবেল বক্স, সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সেলিম আহমদ মাহমুদ, সহ স্থানীয় সম্পাদক মিনহাজ পাঠান, সহ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল করিম জুনাক, সহ অর্থ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন রানা, সহ যোগাযোগ সম্পাদক কয়েস আহমদ সাগর, সহ ত্রাণ ও পুর্নবাসন সম্পাদক কামাল আহমদ, সহ জলবায়ু সম্পাদক আবু সাঈদ মোঃ তায়েফ, সহ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদ জালাল উদ্দীন শামীম, সহ প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদকবেলাল আহমদ, সহ শিল্প বিষয়ক সম্পাদক জমজম বাদশা, সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আলী আমজাদ, সহ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর রাসেল, সহ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক খোকন ইসলাম, সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজিব কুমার দে, সহ ধর্ম সম্পাদক শাহীন আহমদ, সহ মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক শাহীন আহমদ, সহ স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সদস্য কাজী মুহিবুর রহমান মুহিব, মোঃ জমির উদ্দিন, বজলুর রহমান ফয়েজ, ওলিউর রহমান ডেনি, রাজন মিয়া,মন্তাজ মিয়া,পিয়ার উদ্দিন পিয়ার,সুহেল আহমদ, চান মিয়া বাচ্চু,শাহজাহান আহমদ, রাসেল আহমদ খান, সালেক আহমদ, মঈন খান, সাইফুল ইসলাম, মতিউর রহমান শিমুল, জাহেদ আহমদ, আকবর হোসেন কয়সর, শহিদুর রহমান সানি,রিয়াজ আহমদ সুমন, মোঃ হারুনুর রশিদ, নুরুল ইসলাম লিমন, মোঃ নুরুল ইসলাম ও জাকির হোসেন পারভেজ, কোতোয়ালি থানার বিএনপির আহবায়ক ওলিউর রহমান চৌধুরী সুহেল, জালালাবাদ থানার বিএনপির আহবায়ক শহীদ আহমদ, বিমানবন্দর থানার আহবায়ক আব্দুল কাদির সমছু ও সদস্য সচিব সৈয়দ সারোয়ার রেজা, শাহপরান থানার আহবায়ক মোঃ আব্দুল মুনিম ও সদস্য সচিব খুর্শেদ আহমদ খুশু, দক্ষিণ সুরমা থানা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ এনামুল হক ও সদস্য সচিব মকসুদ আহমদ, মোগলা বাজার থানা বিএনপির আহবায়ক আবুল হাসনাত ও সদস্য সচিব জামিল আহমদ, ৩৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আল মামুন খান ও সাধারণ সম্পাদক জমির উদ্দিন,
৩৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তাজ উদ্দিন তাজ ও সাধারণ সম্পাদক এম এ হক জাবেদ, ৩৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সালেহ আহমদ, ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজির হোসেন, ৩২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম হিলট্ন, ২৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুশাহিদ আহমদ প্রমুখ।