শিরোনাম :
সিলেটে জিএসসি ইউকে’র ‘ওমেন এমপাওয়ার প্রজেক্ট’-এর সনদ বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শাহ্ খুররম ডিগ্রী কলেজে ভবন বরাদ্দ- মুক্তাদিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও দোয়া মাহফিল এবার ইউনিয়ন পরিষদ এর নির্বাচন কবে-জানা গেল মির্জা ফখরুল হোটেল শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কর্মীসভা অনুষ্ঠিত সিলেটে হামে শিশু মৃত্যু থামছেই না, প্রাণ গেল আরও দু’জনের সিলেট মহানগরের ৬ থানা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সিসিক প্রশাসকের মতবিনিময় ইসকনের আলোচনা সভায় সিসিক প্রশাসক: সিলেটে শতাব্দীর পর শতাব্দী হিন্দু-মুসলিম সহাবস্থান সিলেটের ভাঙাচোরা সড়ক নিয়ে সিসিক প্রশাসকের ক্ষোভ, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান নতুন এসএমপি কমিশনার সারোয়ার মোর্শেদ, কুদ্দুস চট্টগ্রামে বদলি আগামী বছরের হজ: সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা

২০৪১ সালে দেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার নামঃ
  • সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৫৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে এবার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেই বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশে চলে যাবো।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘প্রগতিশীল প্রযুক্তি, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নতি’ শীর্ষক আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্তিক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ, আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী এসময় স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি ভিত্তির কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য চারটি ভিত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো- ১. স্মার্ট সিটিজেন; অর্থাৎ প্রত্যেক নাগরিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হবেন। ২. স্মার্ট ইকোনোমি; অর্থাৎ অর্থনীতির সব কাজই প্রযুক্তি ব্যবহার করে করা হবে। ৩. স্মার্ট গভর্নমেন্ট; এটা ইতোমধ্যে অনেকটা করা হয়েছে, বাকিটাও করে ফেলা হবে এবং স্মার্ট সোসাইটি; অর্থাৎ আমাদের সমাজটাই হবে স্মার্ট।’
প্রধানমন্ত্রী এখানেই থেমে যাননি উল্লেখ করে বলেন, ‘এখন আমার ৭৬ বছর বয়স। বেশিদিন তো আর (বাঁচবো না)… যে কোনোদিন অক্কা পেতে পারি, তাই না? যে কোনোদিন চলে যেতে পারি। তারওপর গুলি, বোমা, গ্রেনেড হামলা… তারেক জিয়া-খালেদা জিয়াতো আমাকে ছেড়ে দেয়নি। বারবার আমার ওপর হামলা চালিয়েছে। কিন্তু আমি বেঁচে গেছি। হ্যাঁ, আমরা আইভি রহমানকে হারিয়েছি, বহু নেতাকর্মীকে হারিয়েছি। কিন্তু বার বারতো এ আঘাতগুলো এসেছে আমার ওপর, হয়তো সামনেও আসবে। আমি এগুলো পরোয়া করিনি, করবো না। আমি আমার পরিকল্পনা দিয়ে যাচ্ছি।‘
শেখ হাসিনা বলেন, ‘২১০০ সালের ডেল্টা প্ল্যান, সেটাও করে দিয়ে গেলাম। ২০২১ থেকে ২০৪১ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করে দিয়ে গেলাম।… আর ২১০০ সালে এই বদ্বীপ, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম যেন এই বদ্বীপে জলবায়ুর অভিঘাত থেকে রক্ষা পায়। দেশ উন্নত হয় এবং উন্নত দেশে স্বাধীনভাবে সুন্দরভাবে স্মার্টলি যেন তারা বাঁচতে পারে। এখন সব নির্ভর করছে আমাদের ইয়াং জেনারেশনের উপর, যুব সমাজের উপর। তারুণ্যের শক্তি, বাংলাদেশের উন্নতী; এটাই ছিল আমাদের ২০১৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহার। আমরা সেই কাজটাই করে যাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির সময় অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া কার্যক্রম স্থাগিত হয়ে যায়। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া কার্যক্রম চালিয়ে নেয়। কিন্তু পিছিয়ে থাকে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও এ কার্যক্রমে পিছিয়ে থাকে। শেষ পর্যন্ত তারাও শুরু করে।
তিনি বলেন, করোনার টিকা আমরা বিনামূল্যে দিয়েছি। বিশ্বের অনেক ধনী দেশও তাদের জনগণকে বিনামূল্যে টিকা দিতে পারেনি। বিনামূলে টিকা দিতে গিয়ে আমাদের অনেক টাকা খরচ হয়ছে।
এ সময় তিনি অর্থনীতির কথা তুলে ধরে বলেন, করোনার পরই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। গ্রেট ব্রিটেনের মতো দেশও অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে পড়েছে। কিন্তু সেখানে আমাদের অবস্থান অনেক ভালো। আমরা অর্থনীতি চাকা সচল রেখেছি।
প্রথমবারের মতো দেশজুড়ে জাতীয়ভাবে এবং নিয়মতান্ত্রিক ষষ্ঠ ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালিত হচ্ছে। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘প্রগতিশীল প্রযুক্তি, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নতি। দিবসটি উপলক্ষে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশীজনদের পুরস্কৃত করা হয়েছে।
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’ পালিত হয় প্রতিবছর ১২ ডিসেম্বরে। দিবসটির পূর্বনাম ছিল আইসিটি বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস। ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ সরকার এ দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের ঘোষণা দেয় এবং ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর আইসিটি দিবসের পরিবর্তে দিনটিকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain