শিরোনাম :
সিলেটে দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে বিএনপির ৭,৮,৯,৩৭,৩৮ ও ৩৯নং ওয়ার্ডের তদারকি কমিটি’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিলেটে দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে বিএনপির ৭ ‘তদারকি কমিটি’ জুড়ীতে ছাত্রলীগের মিছিলের পর সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কিশোর রায় গ্রেপ্তার সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সিসিক প্রশাসকের সাথে নিসচা সিলেট মহানগরের মতবিনিময় সম্প্রীতির উৎসবে মানবিকতার ছোঁয়া, সিলেটে ৫০০ পরিবারের পাশে আজিজ খান সজিব টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০ ইউনিট সাইক্লোনের ‘চিঠির কথা: গান-কবিতায়’ শীর্ষক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পের চেক বিতরণ সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মহড়া

কুলাউড়ায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েকে খুন করেন বাবা

রিপোর্টার নামঃ
  • সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৯০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী পপি সরকার (১২) খুনের রহস্য উদ্‌ঘাটিত হয়েছে।

পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের মেয়ে পপিকে বাবা দিগিন্দ নম হত্যা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার দুপুরে কুলাউড়া থানায় সংবাদ সম্মেলন করে এই তথ্য জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুছ ছালেক।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরী মেয়েকে খুন করেন বাবা দিগেন্দ্র সরকার। ঘটনাস্থলে পাওয়া বিস্কুটের প্যাকেটের সূত্র ধরে এ হত্যারহস্য উদ্‌ঘাটন করে পুলিশ।

কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সুলতানপুর এলাকায় একটি বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভাড়া থাকেন দিগেন্দ্র সরকার ও আশালতা সরকার দম্পতি। তাদের মেয়ে পপি শৈশব থেকে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। সে লেখাপড়া করত না। পপি ছাড়াও তাদের আরেক কন্যাসন্তান রয়েছে। তাদের মূল বাড়ি হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার গুমগুমিয়া গ্রামে। দিগেন্দ্র সরকার পেশায় একজন মৎস্যজীবী।

সংবাদ সম্মেলনে ওসি আবদুছ ছালেক বলেন, গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে সুলতানপুরে বাড়ির পাশে এক ব্যক্তির বাগানে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পপি সরকারের লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় দিগেন্দ্র সরকার বাদী হয়ে সুরমান মিয়া ও কাজল মিয়া নামের প্রতিবেশী দুই ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন। এজাহারে বলা হয়, ওই দুই ব্যক্তি তার মেয়েকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় লোকজনের কাছে বিচার চাওয়ায় তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিস্কুটের লোভ দেখিয়ে পপি সরকারকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেন।

ওসি আবদুছ ছালেক আরও বলেন, সুরমান ও কাজলের সঙ্গে দিগেন্দ্রের আগে থেকে বিরোধ ছিল। তাদের কারণে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ কারণে তাদের ফাঁসানোর পরিকল্পনা করেন। তদন্তকালে পপির শয়নকক্ষের জানালায় একটি বিস্কুটের প্যাকেট পাওয়া যায়। তদন্ত করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে, দিগেন্দ্র ২৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় একটি দোকান থেকে ১০ টাকা দিয়ে বিস্কুটের প্যাকেটটি কেনেন। ওই দিন গভীর রাতে তিনি মেয়েকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে লাশ বাগানে নিয়ে ফেলে রাখেন। এরপর প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে প্যাকেটটি জানালায় ঝুলিয়ে রাখেন।

এ ব্যাপারে গতকাল শনিবার দিগেন্দ্র সরকার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে মৌলভীবাজারের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 Anushondhan News
Developed by Host for Domain